অর্থনীতি বার্তা | অনলাইন ডেস্ক
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়কে “অবৈধ দখলদার সরকারের ফরমায়েশি সিদ্ধান্ত” আখ্যা দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার পুত্র ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা হলেও তা আগামী নির্বাচন থেকে কার্যকর হবে—এ সিদ্ধান্ত আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
জয়ের অভিযোগ, বর্তমান প্রশাসন ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস “অসাংবিধানিক, অনির্বাচিত এবং অবৈধ”ভাবে ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় নিজেদের সুবিধামতো একটি নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, যদি তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা সত্যিই প্রয়োজন হয়, তবে তা বর্তমান নির্বাচনেই প্রযোজ্য হওয়া উচিত ছিল।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত দেড় বছরে আওয়ামী লীগের হাজারো নেতা–কর্মীকে গ্রেপ্তার, শতাধিক সংসদ সদস্যকে মামলা ছাড়াই আটক এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনা “সরকারের প্রত্যক্ষ নির্দেশেই সংগঠিত হয়েছে”। গোপালগঞ্জে নিরস্ত্র প্রতিবাদকারীদের ওপর গুলি চালানো এবং সারাদেশে সহিংসতার জন্যও তিনি বর্তমান প্রশাসনকে দায়ী করেন।
সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে চলতি বছরের আগস্টের আগে–পরে নানা ঘোষণার পরও বর্তমান শাসকগোষ্ঠী আসন্ন নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থায় করতে চাইছে না। তার অভিযোগ, আওয়ামী লীগসহ প্রগতিশীল দলগুলোকে নিষিদ্ধ করে “একটি সাজানো, পক্ষপাতদুষ্ট ও কারচুপিমূলক নির্বাচন আয়োজন” করাই সরকারের লক্ষ্য।
বিবৃতির শেষাংশে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যদি সকল সহিংসতা, হত্যাকাণ্ড ও নিপীড়ন মেনে নেওয়াই হয়, তবে এর জন্য অতীতে নির্বাচিত সরকারকে দোষারোপ কেন?”
