বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘ ১৭ বছর পর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ভোগ ও অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে দলটির পক্ষ থেকে এ দুঃখ প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে গত বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সপরিবারে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থক ঢাকায় সমবেত হন।
বিএনপি জানায়, রাজধানীতে বিপুলসংখ্যক মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতির কারণে স্বাভাবিক জনজীবনে কষ্ট ও দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। এতে নগরবাসীর দৈনন্দিন চলাচল ও স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে বিঘ্ন ঘটায় দলটি গভীরভাবে মর্মাহত। এ অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ভোগ ও অসুবিধার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দর থেকে তিনি পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় বিএনপি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের সংবর্ধনা মঞ্চ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ছয় কিলোমিটার সড়কে ছিল মানুষের ঢল। পূর্বাচলের ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফুট সড়ক) এলাকা পরিণত হয় জনসমুদ্রে। ফলে আশপাশের এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেওয়ার পর তারেক রহমান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে যান। পরে তিনি গুলশানের বাসভবনে ফেরেন।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নাগরিকদের ভোগান্তির বিষয়টি দলটি সংবেদনশীলতার সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে আরও সতর্ক থাকবে।
