অনলাইন ডেস্ক | অর্থনীতি বার্তা
চাঁদপুর নদীঘাটে প্রতিদিন ট্রলারে করে হাজার হাজার তরমুজ আনা হচ্ছে, যার মধ্যে কিছু অপরিপক্ব। স্থানীয় চরাঞ্চল ও তরমুজ উৎপাদনকারী এলাকা থেকে এসব তরমুজ ট্রলারে ঘাটে পৌঁছে, এরপর পাইকারি ব্যবসায়ীরা ট্রাক ও পিকআপে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করেন।
ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, মৌসুমের শুরুতেই অধিক লাভের আশায় অনেক কৃষক ও ব্যবসায়ী অপরিপক্ব তরমুজ বাজারজাত করছেন। এতে স্বাদে তেমন উপভোগ পাওয়া যায় না এবং তরমুজের মান নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
চাষি ও ব্যবসায়ীর বক্তব্য
ভোলা থেকে তরমুজচাষি লোকমান ও পটুয়াখালী থেকে আবু তালিব বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এই বছর তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে। চাষিরা মূলত চাঁদপুর চৌধুরী ঘাটে তরমুজ নিয়ে আসেন, কারণ এখানে দাম বেশি এবং সরবরাহ সহজ। রমজানের শুরুতে কিছু অপরিপক্ব তরমুজ বাজারে আসে, তবে এখন পুরোপুরি পাকা তরমুজ বিক্রি হচ্ছে।
চৌধুরী ঘাটের তরমুজ ব্যবসায়ী মো. ফরিদ হোসেন জানান, এই সময় বড় আকারের ১০০ তরমুজ ৩০ হাজার, মাঝারি ১৫-২০ হাজার, এবং ছোট ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের কোনো সিন্ডিকেট নেই, ক্রেতাদের ধারণা ভুল।
ক্রেতাদের মতামত
ক্রেতা জমির তালুকদার বলেন, বাজারে এখনও অনেক অপরিপক্ব তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। তিনি মনে করেন, অনিয়ম রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। এতে ক্রেতারা মানসম্মত তরমুজ পাবেন এবং কৃষকও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পারবেন।
নজরদারি ও ব্যবস্থা
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান বলেন, রমজানের শুরু থেকেই বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অনিয়মের প্রমাণে ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা হয়েছে। তরমুজ নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে সেখানেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
