জুলাই থেকে সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘বাংলা কিউআর’ কোড

ক্যাশলেস অর্থনীতি গঠনে নতুন উদ্যোগ, স্টার্টআপ খাতে ৯২৫ কোটি টাকার তহবিল সহায়তার ঘোষণা

0 comments

অর্থনীতি বার্তা | অনলাইন ডেস্ক

আগামী জুলাই মাস থেকে দেশের সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে ‘বাংলা কিউআর’ কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংক-এর গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান

মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ স্টার্ট-আপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি (বিএসআইসি)-এর উদ্বোধনী ফান্ড ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

গভর্নর বলেন, ক্যাশলেস সোসাইটি গঠন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি শক্তিশালী করতে ‘বাংলা কিউআর’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি স্টার্টআপ ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল খাতে ব্যাংকগুলোর ৪২৫ কোটি টাকার মূলধনের বিপরীতে আরও ৫০০ কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশের ৩৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের সম্মিলিত অংশগ্রহণে ৪২৫ কোটি টাকা মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ স্টার্ট-আপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি। ব্যাংকগুলো তাদের বার্ষিক মুনাফার ১ শতাংশ প্রদান করে এই বিশেষ তহবিল গঠন করেছে।

জানা গেছে, এই তহবিল থেকে সিড, লেট সিড এবং সিরিজ-এ পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ সহায়তা দেওয়া হবে।

বিএসআইসি’র চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন বলেন, এই সুবিধা শুধু প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারাও (এসএমই) এখান থেকে মূলধন সহায়তা পাবেন। এর ফলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

‘বাংলা কিউআর’ হলো বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত একটি সর্বজনীন ও আন্তঃলেনদেনযোগ্য ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে একটি মাত্র কিউআর কোড স্ক্যান করে যেকোনো ব্যাংক অ্যাপ অথবা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস যেমন বিকাশ, নগদ কিংবা রকেট ব্যবহার করে নিরাপদে লেনদেন করা যাবে।

এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ছোট মুদি দোকান থেকে বড় শপিংমল পর্যন্ত সব জায়গায় স্মার্টফোন ব্যবহার করে দ্রুত পেমেন্ট করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বিক্রেতারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিটি লেনদেনের হিসাব সংরক্ষণ করতে পারবেন এবং আলাদা কোনো ডিভাইস ছাড়াই অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।

বাংলা কিউআর গ্রহণের প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে। যেকোনো ব্যাংকে সঞ্চয়ী, চলতি বা এসএনডি হিসাব এবং বৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকলে আবেদন করা যাবে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর সাধারণত ৩ থেকে ৪ কার্যদিবসের মধ্যে কিউআর কোড প্রস্তুত হয়ে যায়।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বা মাইক্রো মার্চেন্টদের ক্ষেত্রে মাসিক লেনদেন ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে শুধু জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি প্রয়োজন হবে। তবে ১০ লাখ টাকার বেশি লেনদেনকারী ব্যবসায়ীদের এনআইডি ও ছবির পাশাপাশি টিন সার্টিফিকেট এবং রিটার্ন স্লিপ জমা দিতে হবে।

You may also like

পরিচালনা পরিষদ :

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : মোঃ আরফাত ছিদ্দিকী

বাণিজ্যিক সম্পাদক: রিফাত মাহবুব সাকিব

📧 অফিসিয়াল ইমেইল : editor.arthonitibarta@gmail.com 🏢 অস্থায়ী কার্যালয়:  ৪৩/সি, মায়াকানন, ঢাকা – ১২১৪

Edtior's Picks

Latest Articles

Developed BY  Netfie.com