অর্থনীতি বার্তা | অনলাইন ডেস্ক
সকালের ব্যস্ত রুটিনে অনেকের কাছেই শ্যাম্পু করা একটি ঝামেলার কাজ। গোসলের সময় বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি তাড়াহুড়োর কারণে চুল ও মাথার ত্বকের সঠিক যত্নও নেওয়া হয় না। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালে নয় বরং রাতে শ্যাম্পু করার অভ্যাস চুলের জন্য আরও উপকারী হতে পারে।
দিনভর বাইরে থাকার কারণে মাথার ত্বকে ধুলাবালি, ঘাম ও অতিরিক্ত তেল জমে। রাতে বাড়ি ফিরে শরীর পরিষ্কারের পাশাপাশি চুল ও স্ক্যাল্প পরিষ্কার করাও জরুরি। রাতে শ্যাম্পু করলে মাথার ত্বকে জমে থাকা ময়লা সহজেই দূর হয় এবং চুল থাকে সতেজ ও পরিষ্কার।
সকালে তাড়াহুড়োর মধ্যে অনেকেই ঠিকভাবে চুল ধুতে বা স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করতে পারেন না। আবার দ্রুত চুল শুকাতে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করেন, যা অতিরিক্ত তাপের কারণে চুলের ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া ভেজা চুল বেঁধে রাখা বা ভেজা অবস্থায় বাইরে বের হওয়াও চুলের জন্য অস্বাস্থ্যকর।
অন্যদিকে রাতে শ্যাম্পু করলে সময় নিয়ে চুল ধোয়া যায় এবং স্বাভাবিকভাবে চুল শুকানোর সুযোগ পাওয়া যায়। এতে চুলে তাপের ক্ষতি কম হয়। শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুল আরও নরম, মসৃণ ও উজ্জ্বল থাকে। অনেকের মতে, রাতে ধোয়া চুল সকালে বেশি গোছানো ও সুন্দর দেখায়।
বিশেষজ্ঞরা রাতে শ্যাম্পু করার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। শ্যাম্পুর সময় আঙুলের ডগা দিয়ে অন্তত ২ থেকে ৩ মিনিট মাথার ত্বকে হালকা ম্যাসাজ করা ভালো। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং স্ক্যাল্প ভালোভাবে পরিষ্কার হয়।
এছাড়া ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা আগে শ্যাম্পু করা উচিত, যাতে চুল পুরোপুরি শুকানোর সময় পাওয়া যায়। ভেজা চুল নিয়ে ঘুমালে চুল দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং জট বাঁধার আশঙ্কা বাড়ে। তাই ঘুমানোর আগে আলগা করে বিনুনি করা বা হালকা ক্লিপ দিয়ে চুল গুছিয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
চুলের ঘর্ষণ কমাতে বালিশে সাটিন বা সিল্কের কভার ব্যবহার করাও উপকারী। এতে চুল কম ভাঙে এবং চুল পড়ার প্রবণতাও অনেকটা কমে আসে।
