অর্থনীতি বার্তা | অনলাইন ডেস্ক
কলকাতার এক রহস্যময় রাত, কিছু অচেনা মানুষের জীবন আর অতীতের হারিয়ে যাওয়া অধ্যায়ের খোঁজ— এমন গল্প নিয়েই নির্মিত হয়েছে নতুন বাংলা সিনেমা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত অভিনীত ‘নেভার মাইন্ড’। সম্প্রতি প্রকাশিত সিনেমাটির প্রথম ঝলক দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমার পোস্টার শেয়ার করে ঋতুপর্ণা লিখেছেন, “কিছু রাত আসে নিঃশব্দে, আর বদলে দিয়ে যায় সবকিছু। তেমনই এক রাতের গল্প নিয়ে আসছে নেভার মাইন্ড।” তার এই রহস্যময় বার্তাই সিনেমাটিকে ঘিরে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই বছর আগে শোনা গিয়েছিল অভিনেত্রী চৈতি ঘোষাল-এর প্রথম পরিচালিত সিনেমায় অভিনয় করবেন ঋতুপর্ণা। অবশেষে প্রচারঝলক প্রকাশের মাধ্যমে সেই জল্পনার অবসান হয়েছে।
এই সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো পরিচালকের আসনে বসেছেন চৈতি ঘোষাল। দীর্ঘ অভিনয় জীবনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার তিনি নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন। ফলে সিনেমাটি তার জন্যও বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
সিনেমার আরেকটি আকর্ষণ চৈতি ঘোষালের ছেলে অমর্ত্য রায়। তিনি সিনেমার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। প্রথমবারের মতো মায়ের পরিচালনায় কাজ করায় বিষয়টি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহও বেশ।
‘নেভার মাইন্ড’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে এক নারীকে ঘিরে, যিনি নিজের অতীতের একটি রহস্যময় অধ্যায়ের সন্ধানে কলকাতার বিখ্যাত Park Street এলাকার একটি বারে পৌঁছে যান। সেখানে পরিচয় হয় এক তরুণ বার-সংগীতশিল্পীর সঙ্গে। এরপর বিভিন্ন জীবন ও অভিজ্ঞতার মানুষদের গল্প একসূত্রে গাঁথা হতে থাকে।
নির্মাতাদের দাবি, কলকাতার পরিচিত পার্ক স্ট্রিটকে এ সিনেমায় সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি দর্শকদের জন্য থাকবে একটি মানবিক ও সামাজিক বার্তা।
সিনেমাটির গল্প লিখেছেন সম্রাট। চিত্রনাট্যে তার সঙ্গে কাজ করেছেন মিতালি ঘোষাল রুদ্র। চিত্রগ্রহণ করেছেন গোপী ভগৎ এবং গান ও আবহসংগীতের দায়িত্বে রয়েছেন জনপ্রিয় রকশিল্পী রূপম ইসলাম।
প্রচারঝলক প্রকাশের পর থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে ‘নেভার মাইন্ড’ নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। রহস্য, আবেগ ও মানবিক গল্পের সমন্বয়ে সিনেমাটি দর্শকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন নির্মাতারা।
