অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে আরও দুই বছর লাগবে, এরপরই সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ও নাগরিক অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ

0 comments

অর্থনীতি বার্তা ডেস্ক

দেশের অর্থনীতি বর্তমানে নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ায় আগামী দুই বছর কঠিন সময় পার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ সময়ের মধ্যে অর্থনীতি ভঙ্গুর অবস্থা থেকে স্থিতিশীলতার দিকে এগোবে এবং পরবর্তী বছরগুলোতে সমৃদ্ধির নতুন ধারা সৃষ্টি হবে।

রাজধানীতে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি)-এর সহযোগিতায় সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘দ্য ফিসক্যাল কম্পাস ২০২৬: বিয়ন্ড দ্য নাম্বার্স, শেপিং বাংলাদেশ’স ফিউচার—প্রপোজড ন্যাশনাল বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “ভঙ্গুর থেকে স্থিতিস্থাপক অবস্থায় পৌঁছতে দুই বছর সময় লাগবে। তৃতীয় বছর হবে একটি ভালো সময়। আর চতুর্থ ও পঞ্চম বছর হবে সমৃদ্ধির বছর।”

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটের অন্যতম মূল লক্ষ্য হলো অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণ। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

“নাগরিকরা শুধু অর্থনীতির দর্শক হয়ে থাকবে না, বরং তাদের অবদান রাখার ও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। বৃহত্তর অংশগ্রহণ, অন্তর্ভুক্তি এবং সুযোগ সৃষ্টির ভিত্তিতে আমরা নতুন অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি,” বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউএপির স্কুল অব বিজনেসের ডিন অধ্যাপক এমএ বাকী খলিলী। এতে আলোচক হিসেবে অংশ নেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ), অর্থনীতিবিদ সেলিম জাহান, ট্রান্সকম লিমিটেডের গ্রুপ সিইও সিমিন রহমান, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার এবং অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান। এছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী নেতা ও নীতিনির্ধারকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, রাজস্ব আহরণ, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি অর্জনে কার্যকর নীতি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

You may also like

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়:
৪৩/সি, মায়াকানন, ঢাকা – ১২১৪

ই-মেইল
editor.arthonitibarta@gmail.com
news.arthonitibarta@gmail.com

ওয়েবসাইট
www.arthonitibarta.com

Edtior's Picks

Latest Articles

Developed BY  Netfie.com