অর্থনীতি বার্তা | অনলাইন ডেস্ক
দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) অঙ্গপ্রতিষ্ঠান মেঘনা ফ্রেশ এলপি গ্যাস লিমিটেড কক্সবাজারে আয়োজন করেছে ‘ফুয়েলিং পার্টনার-ডিস্ট্রিবিউটর কনফারেন্স ২০২৫’।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে সারা দেশ থেকে প্রায় ৪০০ জন পরিবেশক ও কোম্পানির কর্মকর্তা অংশ নেন। সম্মেলনে ব্যবসায়িক অধিবেশন ছাড়াও ছিল দলগত কার্যক্রম ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন এমজিআই চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল এবং ভাইস চেয়ারম্যান বিউটি আক্তার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এমজিআই পরিচালক তানভীর আহমেদ মোস্তফা, ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা, নির্বাহী পরিচালক ও রফতানি বিভাগের প্রধান সামিরা রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোস্তফা কামাল বলেন,
“মেঘনা গ্রুপ সবসময় দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করে। ২০১৯ সালে ফ্রেশ এলপি গ্যাসের যাত্রা শুরু হয়, আর মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যেই এটি দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, দেশের এলপি গ্যাস শিল্প এখন এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। একসময় যেখানে এলপি গ্যাস অনেকের কাছে অপরিচিত ছিল, এখন তা দেশের প্রতিটি জেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে গেছে।
গৃহস্থালি থেকে শিল্প ও পরিবহন—সব ক্ষেত্রেই এর ব্যবহার বাড়ছে, আর এই চাহিদা পূরণে ফ্রেশ এলপি গ্যাস নিরলসভাবে কাজ করছে।
মোস্তফা কামাল বলেন,
“এই সাফল্য শুধু কোম্পানির নয়, বরং পরিবেশক ও ভোক্তাদের সম্মিলিত অর্জন। ব্র্যান্ড গড়ে তোলে মানুষ, কিন্তু টিকিয়ে রাখে সম্পর্ক—আর এই সম্পর্কই সবচেয়ে বড় সম্পদ।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তানভীর আহমেদ মোস্তফা বলেন,
“ফ্রেশ এলপি গ্যাসের সাফল্যের পেছনে পরিবেশক ও কর্মকর্তাদের অবদান অনন্য। আমাদের লক্ষ্য একটাই— একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়া।”
তিনি আরও জানান, টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এমজিআই নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা ও আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে, যাতে ভোক্তার দোরগোড়ায় সময়মতো মানসম্পন্ন পণ্য পৌঁছে দেওয়া যায়।
সম্মেলনে ২০২৫ সালের সেরা পরিবেশক ও কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হয়, পাশাপাশি পরিবেশকদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফ্রেশ এলপি গ্যাসের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা আবু সাঈদ রাজা, এমজিআই মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান আতিক উজ জামান খান, মহাব্যবস্থাপক (অডিট) সাজ্জাদ হোসেন, সিনিয়র ব্যবস্থাপক (হিসাব) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
