অর্থনীতি বার্তা ডেস্ক
চলতি ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এনেছে ব্র্যাক ব্যাংক। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ব্যাংকটির রেমিট্যান্স প্রবাহে ৭৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত সময়ে প্রায় ১৫ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি তাদের পরিবারের কাছে অর্থ পাঠাতে ব্র্যাক ব্যাংকের সেবা ব্যবহার করেছেন। এ অর্জন বিশ্বব্যাপী প্রবাসী বাংলাদেশি ও এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর কাছে ব্যাংকটির রেমিট্যান্স সেবার গ্রহণযোগ্যতা ও নির্ভরযোগ্যতার প্রতিফলন।
রেমিট্যান্স প্রেরক ও সুবিধাভোগীদের জন্য বিশেষায়িত সেভিংস অ্যাকাউন্ট এবং নতুন আর্থিক পণ্য চালুর মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক তাদের রেমিট্যান্স ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করেছে। গ্রাহকরা ব্যাংকের সম্পূর্ণ ডিজিটাল অনবোর্ডিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কয়েক মিনিটের মধ্যেই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং অ্যাপ ‘আস্থা’র মাধ্যমে সহজে পরিচালনা করতে পারেন।
ব্যাংকটি জানায়, এসব বিশেষায়িত অ্যাকাউন্টের অন্যতম সুবিধা হলো—অ্যাকাউন্টে জমার পরিমাণ যাই হোক না কেন, গ্রাহকরা নির্ধারিত হারে মুনাফা পান, যা মাসিক ভিত্তিতে প্রদান করা হয়।
নতুন রেমিট্যান্স করিডোর সম্প্রসারণ এবং বিদ্যমান অংশীদারদের সঙ্গে উদ্ভাবনী হোস্ট-টু-হোস্ট প্রযুক্তিগত সংযোগ জোরদারের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক বাজারগুলো থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে কাজ করছে ব্র্যাক ব্যাংক। বর্তমানে দেশজুড়ে ব্যাংকটির ৩১০টি শাখা-উপশাখা এবং ১ হাজার ১১৭টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দ্রুত ও নিরাপদে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “এই মাইলফলক ব্যাংকের প্রতি প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবিচল আস্থার প্রতিফলন। আস্থা, প্রযুক্তি এবং অংশীদারত্ব একসঙ্গে কাজ করলে কী অর্জন করা সম্ভব, এ সাফল্য তারই প্রমাণ। আমরা রেমিট্যান্স সেবাকে আরও দ্রুত, নিরাপদ ও সহজলভ্য করার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
তিনি আরও বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রয়োজন ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতেও আধুনিক ও উদ্ভাবনী সেবা সম্প্রসারণে ব্র্যাক ব্যাংক কাজ করে যাবে।
