রোজা রাখার অক্ষমতার ক্ষেত্রে ফিদিয়া: ইসলামি বিধান

0 comments

ধর্ম ও জীবনধারা ডেস্ক

রমজান মাসে কেউ যদি কোনো কারণে রোজা রাখতে অক্ষম হন—যেমন দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা বা বার্ধক্য—তাহলে ইসলামে তার জন্য ফিদিয়া প্রদান করার বিধান রয়েছে। ফিদিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তি তার রোজার দায়িত্ব পূরণ করতে পারেন এবং আল্লাহর কাছে তওবা স্বীকার করতে পারেন।

ফিদিয়ার পরিমাণ ও প্রক্রিয়া

পবিত্র কুরআনে উল্লেখ আছে যে, এক দিনের রোজার ফিদিয়া হিসেবে একজন অভাবগ্রস্ত মানুষের দুবেলা খাবার খাওয়ানো প্রযোজ্য। অর্থাৎ:

  • একজন মিসকিনকে (যিনি জাকাত গ্রহণে উপযুক্ত) দুবার পূর্ণ খাবার দেওয়া।

  • Alternatively, তার সমমূল্য অর্থ সদকা হিসেবে প্রদান করা যায়।

ফিদিয়া প্রদানে প্রত্যেক ব্যক্তি তার আর্থিক সামর্থ্য ও মান অনুযায়ী তা প্রদান করবেন। কুরআন সুস্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছে, যে ব্যক্তি আনন্দের সঙ্গে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ফিদিয়া প্রদান করবে, তার জন্য তা আরও উত্তম ও বরকতময় হবে।

কুরআনের নির্দেশনা

আল্লাহ তায়ালা বলেন:

“হে মুমিনগণ, তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করো। তবে তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ থাকবে বা সফরে থাকবে, সে পরে সংখ্যা পূরণ করবে। আর যাদের জন্য তা কষ্টকর হবে, তাদের কর্তব্য ফিদিয়া তথা একজন দরিদ্রকে খাবার প্রদান করা। স্বেচ্ছায় অতিরিক্ত সৎকাজ করলে তা আরও কল্যাণকর হবে।”
(সুরা বাকারা, আয়াত ১৮৩-১৮৪)

মূল উদ্দেশ্য

ফিদিয়া মূলত:

  1. রোজা রাখতে অক্ষমদের জন্য ইসলামের শর্ত পূরণ।

  2. দরিদ্রদের জন্য খাদ্য সহায়তা ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করা।

  3. ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথে নিজের দায়িত্ব পালন করেন।

ফলে, যারা স্বাস্থ্যের কারণে বা অন্যান্য বাধ্যতামূলক কারণে রোজা রাখতে পারছেন না, তারা সহজেই ফিদিয়ার মাধ্যমে রোজার তওবা পূরণ করতে পারেন এবং রমজানের বরকত ও রহমত লাভ করতে সক্ষম হন।

আপনি চাইলে আমি ফিদিয়ার বর্তমান বাংলাদেশি অর্থমূল্য ও প্রদানের সঠিক প্রক্রিয়া সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য সাজিয়ে দিতে পারি। এটা কি করতে চাইবেন?

You may also like

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়:
৪৩/সি, মায়াকানন, ঢাকা – ১২১৪

ই-মেইল
editor.arthonitibarta@gmail.com
news.arthonitibarta@gmail.com

ওয়েবসাইট
www.arthonitibarta.com

Edtior's Picks

Latest Articles

Developed BY  Netfie.com